
ইরানে চলমান গণবিক্ষোভ দমাতে গুলি, ফাঁসি ও ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউটের অভিযোগে দেশটি রক্তক্ষয়ী সংকটে পড়েছে। এই সহিংসতার জেরে ইরান ইস্যু আর অভ্যন্তরীণ থাকেনি, সরাসরি মুখোমুখি অবস্থানে এসেছে যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া। মধ্যপ্রাচ্যের এই অস্থিরতা বিশ্ব রাজনীতিকে ঠেলে দিচ্ছে এক নতুন ও ভয়ংকর সংঘাতের দিকে।

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সশস্ত্র সংঘর্ষের প্রভাব ছড়িয়ে পড়েছে বাংলাদেশ সীমান্তে, সৃষ্টি হয়েছে চরম আতঙ্ক। নাফ নদীর ওপার থেকে ছোড়া গুলি ও ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণে শিশুসহ দুই বাংলাদেশি গুরুতর আহত হয়েছেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে সীমান্তে টহল জোরদার করেছে বিজিবি, গ্রেপ্তার করা হয়েছে সন্দেহভাজন সশস্ত্র সদস্যদে

ফরাসি বিপ্লব বিশ্বরাজনীতির ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ একটি ঘটনা। ১৭৮৯ সালে সংগঠিত এই বিপ্লব আকস্মিক কোনো কারণে ঘটেনি। সেই সময় ফ্রান্সের অর্থনীতি যেভাবে পরিচালিত হচ্ছিল, তার সঙ্গে দেশের জনগণের কোনো যোগ ছিল না। সরকার ছিল গভীর ঋণে জর্জরিত এবং করের হার ছিল অত্যন্ত বেশি। ফ্রান্সের অর্থনীতির এই দুরবস্থার পেছনে

তেহরানের রাজপথ থেকে শুরু করে ওয়াশিংটনের থিঙ্কট্যাঙ্ক সর্বত্র এখন একটিই প্রশ্ন, দীর্ঘ ৪৬ বছরের নির্বাসন শেষে ইরানের শেষ শাহের নির্বাসিত পুত্র রেজা পাহলভি কি তবে ফিরছেন?

২০২৪ সালের ৮ ডিসেম্বর বিনা বাধায় সিরিয়া দখল করেছিল মার্কিন সমর্থিত বাহিনী। একই দৃশ্য দেখা গেল ভেনেজুয়েলায়। একই ঘটনা ঘটতে পারে ইরান, কিউবা, কলম্বিয়া ও অন্যান্য দেশে, যাদের দখল চায় আমেরিকা।

ইরানে অর্থনৈতিক অসন্তোষ থেকে শুরু হওয়া বিক্ষোভ এখন সরকার পতনের আন্দোলনে রূপ নিয়েছে

ভেনেজুয়েলাতে আক্রমণে যুক্তরাষ্ট্রের মূল উদ্দেশ্য কী? কেন বিশ্ব রাজনীতিকে বিপজ্জনক দিকে নিতে সে মরিয়া। আমেরিকার ‘আমরাই করি, আমরাই করব’ নীতি কত দিন চলবে?

দুই শতাব্দী আগে এসেছিল ‘মনরো ডকট্রিন’। এখন গোটা বিশ্ব দেখছে ‘ডনরো ডকট্রিন’। ডোনাল্ড ট্রাম্পের নতুন পররাষ্ট্রনীতি আসলে ‘পুরনো বোতলে নতুন মদ’। সমালোচকদের কাছে ‘নব্য সাম্রাজ্যবাদ’। এখন প্রশ্ন হচ্ছে ট্রাম্পের ‘ডনরো’ আসলে কতটা ভয়ানক হতে যাচ্ছে?

একটি স্বাধীন দেশের প্রেসিডেন্টকে স্ত্রীসহ তুলে নিয়ে গেছে আরেকটি দেশের সেনারা। ভিন্ন দেশে সেই প্রেসিডেন্টের বিচারও শুরু হয়ে গেছে। অন্যদিকে সেই ‘পরাক্রমশালী’ দেশের প্রেসিডেন্ট বলে চলেছেন, তিনি ওই দেশ থেকে তেল নিয়ে নিতে চান। এমনকি আরও কিছু দেশেও হাত দিতে চান।

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে সস্ত্রীক আটকের পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পররাষ্ট্রনীতি এখন এক আক্রমণাত্মক মোড় নিয়েছে। ১৮২৩ সালের ঐতিহাসিক ‘মনরো ডকট্রিন’-কে পুনরুজ্জীবিত করে নিজের নামে একে ‘ডনরো ডকট্রিন’ হিসেবে অভিহিত করেছেন তিনি।

মনরো ডকট্রিন প্রবর্তনের দুই শতাব্দীর মধ্যে বৈশ্বিক রাজনীতিতে ব্যাপক পরিবর্তন হয়েছে। এখন ইউরোপ আর আমেরিকার প্রতিদ্বন্দ্বী নয়। সেখানে যুক্ত হয়েছে রাশিয়া, চীন, ইরান ও উত্তর কোরিয়া।

ভেনেজুয়েলায় মার্কিন সামরিক অভিযান ও মাদুরোর গ্রেপ্তার আন্তর্জাতিক আইনে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছে। বৈদেশিক হস্তক্ষেপের বিরোধিতা করা ট্রাম্পের এই পদক্ষেপকে নজিরবিহীন ও বিতর্কিত বলা হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই সিদ্ধান্ত মাদুরোর বিচার প্রক্রিয়াকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।

ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে আটকের পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ৩ জানুয়ারি বলেছেন, ভেনেজুয়েলার যে বিপুল তেলসম্পদ রয়েছে—যুক্তরাষ্ট্র তার নিয়ন্ত্রণ নেবে এবং দেশটির তেলশিল্প পুনর্গঠনে জন্য মার্কিন কোম্পানিগুলোকে যুক্ত করা হবে।

মাদুরো আটক হওয়ায় উৎসব করছে ভেনেজুয়েলার কিছু মানুষই। নিকোলাস মাদুরো আটক হওয়ার পর বিশ্বজুড়ে দেখা গেছে ভিন্ন ভিন্ন প্রতিক্রিয়া। একদিকে আমেরিকাবিরোধী বিক্ষোভ, অন্যদিকে প্রবাসী ভেনেজুয়েলানদের উচ্ছ্বাস ও উদযাপনও দেখা গেছে। এই ঘটনাকে ঘিরে ভেনেজুয়েলার ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে আশা ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

মাদুরো আটক হওয়ায় উৎসব করছে ভেনেজুয়েলার কিছু মানুষই। নিকোলাস মাদুরো আটক হওয়ার পর বিশ্বজুড়ে দেখা গেছে ভিন্ন ভিন্ন প্রতিক্রিয়া। একদিকে আমেরিকাবিরোধী বিক্ষোভ, অন্যদিকে প্রবাসী ভেনেজুয়েলানদের উচ্ছ্বাস ও উদযাপনও দেখা গেছে। এই ঘটনাকে ঘিরে ভেনেজুয়েলার ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে আশা ও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

১৯৬২ সালে এক শ্রমিক পরিবারে জন্ম নেওয়া মাদুরো ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন একজন বাসচালক হিসেবে। তবে ট্রেড ইউনিয়ন নেতা হিসেবে তার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা তাকে প্রয়াত নেতা হুগো চাভেজের ঘনিষ্ঠ করে তোলে। ১৯৯২ সালে চাভেজের ব্যর্থ সামরিক অভ্যুত্থানের সময় থেকেই তিনি তার একনিষ্ঠ সমর্থক ছিলেন।

১৯৬২ সালে এক শ্রমিক পরিবারে জন্ম নেওয়া মাদুরো ক্যারিয়ার শুরু করেছিলেন একজন বাসচালক হিসেবে। তবে ট্রেড ইউনিয়ন নেতা হিসেবে তার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা তাকে প্রয়াত নেতা হুগো চাভেজের ঘনিষ্ঠ করে তোলে। ১৯৯২ সালে চাভেজের ব্যর্থ সামরিক অভ্যুত্থানের সময় থেকেই তিনি তার একনিষ্ঠ সমর্থক ছিলেন।

ভেনেজুয়েলায় হামলার পেছনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্দেশ্য কী? শুধুই কি আমেরিকার প্রভাব বিস্তার? নাকি নিজের ব্যক্তিগত কোনো অভিলাষ? বিশ্লেষণ করেছেন চরচার ব্যবস্থাপনা সম্পাদক সেলিম খান।

ভেনেজুয়েলায় হামলার পেছনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উদ্দেশ্য কী? শুধুই কি আমেরিকার প্রভাব বিস্তার? নাকি নিজের ব্যক্তিগত কোনো অভিলাষ? বিশ্লেষণ করেছেন চরচার ব্যবস্থাপনা সম্পাদক সেলিম খান।