
প্রবাসী এবং দেশের তিন শ্রেণির ব্যক্তিদের পোস্টাল ব্যালটে ভোটদানের জন্য নিবন্ধনের সময় ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত বাড়িয়েছে নির্বাচন কমিশন। আজ মঙ্গলবার ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে পোস্টাল ব্যালটে ভোট নিশ্চিত করতে দায়িত্বে থাকা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিবন্ধনের জন্য ক্ষুদে বার্তা (এসএমএস) পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, ডাকযোগে পোস্টাল ব্যালট সুবিধা পেতে হলে প্রবাসীদের স্ব স্ব দেশের সঠিক ঠিকানা প্রদান করতে হবে। প্রয়োজনে বন্ধু/আত্মীয়ের ঠিকানা অথবা নিকটস্থ সুপরিচিত কোন প্রতিষ্ঠান/ভবনের ঠিকানা ব্যবহার করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

একদিন সময় নষ্ট হওয়ায় বাড়তি সুযোগ দেওয়া হবে কি না–এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ভোটারদের হাতে মোট ২১ দিন থাকবে, যা যথেষ্ট সময়। এ ছাড়া সহায়তার জন্য কল সেন্টার চালু করা হয়েছে, যাতে কেউ নিবন্ধনের বাইরে না পড়ে।

আরপিও সংশোধন ও আচরণবিধি জারির মধ্য দিয়ে নির্বাচনী আইন সংস্কারের সব ধাপ সম্পন্ন করেছে ইসি। ইতোমধ্যে ভোটার তালিকা আইন, নির্বাচন কর্মকর্তা বিশেষ বিধান, নির্বাচন কমিশন সচিবালয় আইন, ভোটকেন্দ্র নীতিমালা, দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিক নীতিমালা-সব সংশোধন প্রক্রিয়া শেষ করেছে নির্বাচন কমিশন।

“১৮ নভেম্বর পোস্টাল ব্যালটে ভোটদানের জন্য অ্যাপ চালু হবে। এরপর অনলাইনে যে ফর্মটা পাওয়া যাবে সেটা ডাউনলোড করে পূরণ করতে হবে। নির্বাচনের তিন সপ্তাহ আগে প্রার্থীর তালিকা হয়ে যাবে। এরপর ভোট দিয়ে নিকটস্থ পোস্ট বক্সে ড্রপ করতে হবে।”

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রবাসী বাংলাদেশিরা ভোট দেবেন বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। প্রবাসী বাংলাদেশিরা যাতে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে সে জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা আছে বলে ইসির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।