
সুযোগ পেলেই ধাপে ধাপে জ্বালানির দাম কমিয়ে আনা হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত।

“আমি বরং আপনাদের অনুরোধ করব আপাতত এগুলো নিয়ে রিপোর্ট না করার জন্য। এমনিতেই পাবলিক আমাদের প্রতি নেতিবাচক মানসিকতা পোষণ করে।" কথাটি সিলেট জেলা বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (পিডিবি) তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এ জেড এস আনোয়ারুজ্জামানের। সিলেটের বিদ্যুৎ পরিস্থিতি এতটাই বাজে রূপ নিয়েছে যে, এ অনেকটা অসহায়ের মতোই তিনি

বিতরণ কোম্পানিগুলোর এই আবেদনের প্রেক্ষিতে পুনরায় শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানি শেষে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরী কমিশন আইন, ২০০৩ এবং বাংলাদেশ বিদ্যুৎ বিতরণ ট্যারিফ প্রবিধানমালা, ২০২৬ অনুযায়ী বর্ধিত মূল্যহার কার্যকর না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

এর আগে এ ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ হার ছিল ৮ দশমিক ৫ শতাংশ। সেটা ২০২৪ সালে। এ হিসাবে আগের সর্বোচ্চ হারের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ হারে বাড়ানো হয়েছে বিদ্যুতের দাম।

ঈদের আগে ও পরে কয়েকদিন দেশব্যাপী বিশেষ কন্ট্রোল রুম চালু থাকবে। কোথাও বিদ্যুৎ বিভ্রাট দেখা দিলে দ্রুত সমাধানে মাঠপর্যায়ে প্রকৌশলী, লাইনম্যান ও কারিগরি টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে।