
নির্দেশনাটির যথাযথ বাস্তবায়ন নিশ্চিতে এই রায়কে কন্টিনিউয়াস ম্যান্ডামাস (চলমান নির্দেশনা) হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। এ বিষয়ে একটি কমপ্লায়েন্স রিপোর্ট আদালতে দাখিলেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নারীবিদ্বেষ ছড়ানোর জন্য এইসব ম্যানোস্ফিয়ার গড়ে তুললেও, এর নেতিবাচক প্রভাব কিন্তু শুধু নারীদের ওপরেই পড়ে, এমন না। এটা পুরুষদের জন্যও সমান ক্ষতিকর। এক ইকুইমুন্ডোর এক বৈশ্বিক গবেষণায় দেখা যায়, যেসব পুরুষের চিন্তাধারায় নারীবিদ্বেষ এতটা প্রকট, তাদের আচরণ ঝুঁকিপূর্ণ।

গেমারগেট কেলেঙ্কারি পরবর্তী সময়ে বিবেকবর্জিত কিন্তু উদ্যমী তরুণদের কাছে এই বিদ্বেষ ছড়ানোই হয়ে দাঁড়াল এক লাভজনক ব্যবসা। একজন সাংবাদিক হিসেবে আমি অনেক কট্টর ডানপন্থী তরুণের সাক্ষাৎকার নিয়েছি, যারা স্বীকার করেছে যে তাদের আসল লক্ষ্য ছিল ইনফ্লুয়েন্সার বা চলচ্চিত্র নির্মাতা হওয়া।

নিরাপত্তাহীনতা ও বৈষম্য এখনো বাংলাদেশের কর্মজীবী নারীদের জন্য বড় বাধা।

কিন্তু শুরুর দিকে নারী দিবস নিয়ে বিভিন্ন মহল থেকে প্রশ্ন উঠতে দেখা যায়, যেমন—নারী দিবস আসলে কী? এটি কি আসলেই প্রয়োজনীয়? এটি কি শুধুই বুর্জোয়া শ্রেণির নারী, নারীবাদী বা ভোটাধিকার কর্মীদের জন্য কোনো দিবস?

নারী-পুরুষ আয়ের ব্যবধান কেন তৈরি হয়, তার গভীর বিশ্লেষণ। মাতৃত্ব ও সন্তানের দায় কিভাবে ক্যারিয়ারে প্রভাব ফেলে। সমাধানের পথে সমাজ ও কর্মক্ষেত্রের কাঠামোগত পরিবর্তন।

মার্কিন লেখক আর্সালা কে. লে গুইনের সায়েন্স ফিকশন উপন্যাস ‘দ্য লেফট হ্যান্ড অফ ডার্কনেস’-এ ‘উইন্টার’ নামক এক কাল্পনিক গ্রহের কথা বলা হয়েছে। সেখানকার বাসিন্দারা মূলত উভলিঙ্গ। তারা মাসে মাত্র কয়েকদিনের জন্য দৈবচয়ন ভিত্তিতে নারী অথবা পুরুষ যেকোনো একটি লিঙ্গের বৈশিষ্ট্য পায়। লে গুইন লিখেছেন, মানব সভ্যতার

একজন মেধাবী শিক্ষার্থী হওয়া সত্ত্বেও এলিজাবেথ কিন্তু শুরুতেই চিকিৎসাবিদ্যার পথে হাঁটেননি। তবে এক মুমূর্ষু বান্ধবীর সঙ্গে কথোপকথন তার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়। সেই বান্ধবী আক্ষেপ করে বলেছিলেন, তার চিকিৎসকরা সবাই পুরুষ হওয়ায় যন্ত্রণার দিনগুলো আরও অসহনীয় হয়ে উঠেছিল।

নারীবিষয়ক সংস্কার কমিশনের প্রধান শিরীন পারভীন হক চরচার সাথে বিশেষ সাক্ষাৎকারে কমিশনের রিপোর্টসহ নানা বিষয়ে কথা বলেছেন।