
সিরিজের শেষ ওয়ানডেতে জিম্বাবুয়ে অলআউট হওয়ার আগে করেছে ৪৮.১ ওভারে ১৯৯ রান। প্রথম দুই ম্যাচে রান তাড়ায় যথাক্রমে ১৪২ ও ২৪৮ রান করতে ব্যর্থ হয়েছিল বাংলাদেশ।

তিন ম্যাচ সিরিজের দ্বিতীয় ম্যাচে ২৪৮ রান তাড়া করতে নেমে ৪৮.১ ওভারে বাংলাদেশের ইনিংস শেষ হয়ে গেছে ২৩৪ রানে। জিম্বাবুয়ের লিড ২-০ ব্যবধানে।

৪৬তম ওভারে তাসকিনকে চার মেরে কারান পূরণ করেন ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ওয়ানডে সেঞ্চুরি। তবে শেষের ঝড়টা তোলেন মূলত ব্র্যাড ইভান্স। তাসকিনের করা ইনিংসের শেষ ওভারে ৩ ছক্কা ও এক চারে আদায় করেন ২২ রান। তাতে প্রায় আড়াইশ ছুঁইছুঁই স্কোর পেয়ে যায় জিম্বাবুয়ে।

প্রথম ওয়ানডেতে হারারেতে বাংলাদেশের টার্গেট ছিল স্রেফ ১৪২ রান। তবে ৩৩.১ ওভারে অলআউট হওয়ার আগে সফরকারীরা করতে পারে ১১৬ রান।

হারারেতে সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে নাহিদের ক্যারিয়ার সেরা স্পেলে ৩৬.৪ ওভারে মাত্র ১৪১ রানেই গুটিয়ে গেছে জিম্বাবুয়ের ইনিংস।

জিম্বাবুয়ে সফরে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য ১৫ সদস্যের দলে অধিনায়ক করা হয়েছে তাওহীদ হৃদয়কে। চোটের কারণে অস্ট্রেলিয়ার পর এই সিরিজও মিস করবেন নিয়মিত অধিনায়ক লিটন দাস।

পাকিস্তানকে বলা হয় ক্রিকেটের ‘আনপ্রেডিক্টেবল’ দল। তবে বাংলাদেশ সেই তকমা নিজেদের করে নেওয়ার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টাটাই যেন করে যাচ্ছে। সেই ধারায় সদ্যই পাকিস্তানকে ধবলধোলাই করা নাজমুল হোসেনের দল জিম্বাবুয়ের কাছে টেস্টে হারলেন ইনিংস ব্যবধানে, তাও মাত্র তিন দিনেই!

দ্বিতীয় দিন শেষেই ম্যাচের লাগাম নিজেদের হাতে নিয়ে নিয়েছিল জিম্বাবুয়ে। ঘুরে দাঁড়াতে দরকার ছিল ব্যাটসম্যানদের বিশেষ কিছু করার। তবে প্রথম ইনিংসের মত দ্বিতীয় ইনিংসেও ব্যর্থ টপ অর্ডার। তিন দিনেই তাই ইনিংস পরাজয়ের সামনে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ।

মিরাজের ফেরা বাদে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজের দল থেকে আর কোনো পরিবর্তন নেই দলে। তৃতীয় ম্যাচে তার জায়গায় ডাক পাওয়া শেখ মাহেদি হাসান বাদ পড়েছেন।

টেস্টে প্রতিপক্ষ হিসেবে বাংলাদেশ এখন সমীহ জাগানো দল। সম্প্রতি তারা পাকিস্তানকে ঘরে-বাইরে টানা চার টেস্টে হারানোর কীর্তি গড়েছে । তাই ইংল্যান্ড স্বাভাবিকভাবেই নিজেদের সেরা প্রস্তুতির জন্য নাজমুল-লিটনদের বিপক্ষে খেলতে আগ্রহী হয়েছে।

একপ্রান্ত আগলে ইনিংসের শেষ পর্যন্ত ব্যাট করে একাই লড়ে যান তাওহীদ। ৩০ বলে ৩০ রান থেকে শেষের দিকে কিছু বড় শট খেলে পূর্ণ করেন এই ফরম্যাটে নিজের সপ্তম ফিফটি। যদিও শেষ ওভারে পাঁচ বলে মাত্র এক রান বের করতে পারেন তিনি।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের তৃতীয় ম্যাচে বাংলাদেশ করেছিল ৬ উইকেটে ১২৩ রান। পাকিস্তানের ইনিংস থেমেছে ৮ উইকেটে ১০০ রানে।

পারভেজ অনেক চেষ্টা করেছিলেন, তবে বল আর রানের ব্যবধান আর কমাতে পারেননি সেভাবে। তার ৩৬ রানের ইনিংস তাও কিছুটা আশার সঞ্চার করে বাংলাদশ শিবিরে।

আবদুল গাফফার সাকলাইনকে বাংলাদেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে সবাই চেনেন পেস বোলিং অলরাউন্ডার হিসেবে। টি-টোয়েন্টি দলে তাকে নেওয়া সেই ভূমিকাতেই। তবে ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয় সাকলাইনের হাতে তুলে দিলেন নতুন বল। সুযোগ কাজে লাগানোর বদলে তিনি ভুলে যাওয়ার মত এক স্পেল উপহার দিলেন। সঙ্গে অন্য বোলারদের কঠিন এক দিনে

আবদুল গাফফার সাকলাইনকে বাংলাদেশের ঘরোয়া ক্রিকেটে সবাই চেনেন পেস বোলিং অলরাউন্ডার হিসেবে। টি-টোয়েন্টি দলে তাকে নেওয়া সেই ভূমিকাতেই। তবে ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয় সাকলাইনের হাতে তুলে দিলেন নতুন বল। সুযোগ কাজে লাগানোর বদলে তিনি ভুলে যাওয়ার মত এক স্পেল উপহার দিলেন। সঙ্গে অন্য বোলারদের কঠিন এক দিনে