Chaarcha Logo
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১২ অক্টোবর, ২০২৬
১২ অক্টোবর, ২০২৬
Chaarcha logo
সংক্ষেপেকানেক্টম্যাগাজিন

আমরা

আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগবিধিনিষেধ ও শর্তাবলিগোপনীয়তার নীতি
Chaarcha logo
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
১২ অক্টোবর, ২০২৬
১২ অক্টোবর, ২০২৬
সর্বশেষবিশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
Chaarcha logo
সর্বশেষএক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণভাবনাভিডিওশর্টসজীবনচরচাম্যাগাজিনপ্রবাস
আমরা
  • আমাদের সম্পর্কে
  • যোগাযোগ
  • বিধিনিষেধ ও শর্তাবলি
  • গোপনীয়তার নীতি
এক্সপ্লেইনারবিশ্লেষণ

সম্পাদক: সোহরাব হাসান, প্রিন্টার্স বিল্ডিং (লেভেল–১৪), ৫ রাজউক অ্যাভিনিউ, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা–১০০০, বাংলাদেশ

|

স্বত্ব © চরচা

Chaarcha Logo
> ভাবনা

ব্যারিকেড গণতন্ত্রের কণ্ঠস্বরকে স্তব্ধ করতে পারে না

এম.এ. বেবি

এম.এ. বেবি

প্রকাশ : ১২ অক্টোবর ২০২৬, ১৯: ৫৯
ব্যারিকেড গণতন্ত্রের কণ্ঠস্বরকে স্তব্ধ করতে পারে না
ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)-এর আন্দোলন। ছবি: সিএনএন

গত কয়েক মাসে যন্তর মন্তর এলাকায় বেশ জোরদার আন্দোলন-বিক্ষোভ দেখা গেছে। ভারতের নির্বাচন কমিশনের কার্যকলাপ নিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত সাম্প্রতিক একটি প্রতিবেদনের জেরে নতুন করে বিক্ষোভের ঢেউ উঠেছে। এবারের বিক্ষোভের লক্ষ্যবস্তু হলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমার। জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিটি এখন কার্যত নির্বাচনী স্বচ্ছতা ও সততা রক্ষার দাবিতে পরিণত হয়েছে। যন্তর মন্তরে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের বিরুদ্ধে আয়োজিত বিক্ষোভ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ২ অক্টোবর সমগ্র নয়াদিল্লিতে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১৬৩ ধারার আওতায় বিধিনিষেধ জারি করা হয়। এ সময় বেশ কয়েকটি মেট্রো স্টেশন বন্ধ রাখা হয় এবং যান চলাচলের ওপর কঠোর বিধিনিষেধ ঘোষণা করা হয়।

Advertisement

এই পদক্ষেপগুলো বিক্ষোভকারীদের দমাতে পারেনি, তবে দিল্লি পুলিশের ব্যাপক ধরপাকড় ও বিধিনিষেধ এমন কিছু কঠিন প্রশ্ন সামনে নিয়ে এসেছে যার উত্তর এখনো মেলেনি: এই রাজধানী আসলে কার? এই রাস্তাগুলো কাদের? ২০২৬ সালের জুলাই মাসে রাজধানীর নির্ধারিত বিক্ষোভস্থল যন্তর মন্তরে বছরের অন্যতম বড় যুব-বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছিল, যা শেষ পর্যন্ত বিক্ষোভকারীদের এক বড় বিজয়ের মধ্য দিয়ে শেষ হয়। জুলাই মাসের ‘নিট’ পরীক্ষার বিরুদ্ধে হওয়া বিক্ষোভের পর থেকে দিল্লি পুলিশ ওই এলাকায় ব্যারিকেড বা প্রতিবন্ধকতার পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে দিয়েছে। রাস্তা বন্ধ করে দেওয়া এবং ভোটের প্রক্রিয়ায় কারচুপি করা—এ দুটি বিষয় আসলে একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ। সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে হলে নাগরিকদের প্রথমেই সরকারের অনুমতি চাইতে হয়। জানা গেছে, যন্তর মন্তরে বিক্ষোভের জন্য দিল্লি পুলিশ এখন ১০ দিন আগে আবেদন জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করেছে। শোষিতরা কেবল তখনই শোষকের বিরুদ্ধে কথা বলার সুযোগ পায়, যখন শোষক নিজে তার অনুমতি দেয়।

প্রতিবাদের পরিসর বা ভূগোলের বিলুপ্তি

দিল্লিতে প্রতিবাদের পরিসর বা ভূগোলের ইতিহাস ধীরে ধীরে মুছে ফেলা হচ্ছে। একসময় ‘বোট ক্লাব’ ছিল বিক্ষোভ প্রদর্শনের নির্ধারিত স্থান; পরে তা সরিয়ে যন্তর মন্তরে নিয়ে যাওয়া হয়। যদিও যন্তর মন্তর এখনো প্রতিবাদের জন্য নির্ধারিত স্থান হিসেবেই রয়েছে, তবুও ‘অনুমতি মেলেনি’—এমন অজুহাতে প্রায়শই সেখানে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হয়। কোভিড-১৯ লকডাউনের আগে পর্যন্ত, প্রচলিত মিছিলের পথটি ছিল মান্ডি হাউস থেকে যন্তর মন্তর কিংবা পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানা পর্যন্ত। বড় বড় মিছিল প্রায়শই রামলীলা ময়দান থেকে শুরু হয়ে পার্লামেন্ট স্ট্রিটে গিয়ে শেষ হতো। লকডাউনের পর থেকে, হাতেগোনা কয়েকটি ব্যতিক্রম ছাড়া, বিক্ষোভের জন্য প্রায় কোনো অনুমতিই দেওয়া হয়নি। পার্লামেন্ট স্ট্রিটেই মানুষ তাদের নির্বাচিত

Advertisement
Advertisement
Advertisement

ব্যারিকেডের ওপর দাঁড়িয়ে ভারতের বিরোধী দলের নেতা রাহুল গান্ধী। ছবি: সংগৃহীত
ব্যারিকেডের ওপর দাঁড়িয়ে ভারতের বিরোধী দলের নেতা রাহুল গান্ধী। ছবি: সংগৃহীত

জনপ্রতিনিধিদের সামনে প্রতীকীভাবে নিজেদের ভিন্নমত বা অসন্তোষ প্রকাশ করত।

এই অবরোধ বা বিধিনিষেধ আরোপের আইনি ভিত্তি হলো ‘ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতা’-এর ১৬৩ নম্বর ধারা, যা ‘ফৌজদারি কার্যবিধি’-এর ১৪৪ নম্বর ধারাকে প্রতিস্থাপন করেছে। বারবার জারি করা এসব নিষেধাজ্ঞার আদেশ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। প্রশ্ন উঠছে যে, বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে আনা এই বিধিনিষেধগুলো বাস্তবে বিক্ষোভ আয়োজনকেই পুরোপুরি রুদ্ধ করে দিচ্ছে কি না। পাশাপাশি, সরকার বা সরকারি নীতির বিরুদ্ধে আয়োজিত বিক্ষোভের অনুমতি প্রত্যাখ্যানের ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষের অবাধ ও অনিয়ন্ত্রিত ক্ষমতা নিয়েও উদ্বেগ রয়েছে।

২০১৮ সালে ‘মজদুর কিষাণ শক্তি সংগঠন বনাম ভারত সরকার’ মামলায় সুপ্রিম কোর্ট শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকে একটি মৌলিক অধিকার হিসেবে স্বীকৃতি দেয় এবং যন্তর মন্তরে নিয়ন্ত্রিতভাবে বিক্ষোভ আয়োজনের অনুমতি দেওয়ার লক্ষ্যে নির্দেশিকা তৈরির জন্য কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেয়। এর আগে, ২০১২ সালের ‘রামলীলা ময়দান’ মামলাতেও আদালত একই নীতি পুনর্ব্যক্ত করেছিল।

পরিস্থিতি কেবল দিল্লির মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। বেঙ্গালুরুতে একসময় টাউন হলে যে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হতো, তা সরিয়ে ‘ফ্রিডম পার্ক’-এ নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু সেখানেও নানা বিধিনিষেধের মুখে পড়তে হয়। ২০২২ সালে কর্ণাটক হাইকোর্ট বিক্ষোভ কর্মসূচিগুলোকে কেবল ফ্রিডম পার্কের মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখার নির্দেশ দেয়। এরপর ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ‘পুনঃউন্নয়ন’-এর অজুহাতে পার্কটি পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ বিচ্ছিন্ন করা হয়। হায়দ্রাবাদে বিক্ষোভ প্রদর্শনের অনুমতি কেবল ‘ধরনা চক’-এই সীমাবদ্ধ। ২০২৪ সালের শুরুর দিকে কৃষকরা যখন দিল্লির অভিমুখে পদযাত্রা করেন, তখন হরিয়ানা সীমান্তে তাদের ব্যারিকেড, কাঁটাতারের বেড়া, কাঁদানে গ্যাস এবং এমনকি পরিখার মতো বাধার সম্মুখীন হতে হয়। বিভিন্ন রাজ্যে প্রতিরোধমূলক আটক, শ্রমিক ধর্মঘট ও ছাত্র-মিছিল দমনে নিষেধাজ্ঞা জারি এবং ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ করে দেওয়ার মতো পদক্ষেপগুলো এখন এক সাধারণ প্রবণতায় পরিণত হয়েছে। এই জাতীয় প্রবণতার মূল কারিগর হলো ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি): তাদের কৌশলে বিক্ষোভকে প্রথমে স্থানান্তরিত, পরে সীমাবদ্ধ এবং সবশেষে নিষিদ্ধ করা হয়।

ভিন্নমতকে দমন করা যায় না

ইতিহাস সাক্ষ্য দেয় যে, যখনই ক্ষমতাসীনরা জনপরিসরকে সংকুচিত, সীমাবদ্ধ বা রুদ্ধ করার চেষ্টা করেছে, সাধারণ মানুষ সর্বদা তার বিকল্প পথ খুঁজে নিয়েছে। ২০১১ সালের তাহরির স্কয়ার আন্দোলন, ‘অকুপাই ওয়াল স্ট্রিট’, প্যারিস কমিউন এবং পেত্রোগ্রাদ সোভিয়েত—এসবই তার কিছু উদাহরণ।

সিজেপির আন্দোলনকে কেন্দ্র করে এ পর্যন্ত আটক হয়েছে প্রায় ৬ হাজার মানুষ। ছবি: সংগৃহীত
সিজেপির আন্দোলনকে কেন্দ্র করে এ পর্যন্ত আটক হয়েছে প্রায় ৬ হাজার মানুষ। ছবি: সংগৃহীত

সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ভারতেও বড় ধরনের বেশ কিছু বিক্ষোভ ও আন্দোলন হয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো নাগরিকত্ব (সংশোধনী) আইন (সিএএ) ও জাতীয় নাগরিক পঞ্জি (এনআরসি)-র বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক শাহিন বাগ অবস্থান কর্মসূচি, ২০২০-২১ সালে দিল্লির সীমান্তে কৃষকদের আন্দোলন এবং বামপন্থীদের নেতৃত্বে শ্রমিক ও কৃষকদের বিভিন্ন সমাবেশ ও পদযাত্রা—যেমন ‘কিষান লং মার্চ’।

সংগ্রামের মধ্য দিয়েই পরিসর বা স্পেস তৈরি হয়। রাষ্ট্র যখন আনুষ্ঠানিক জনপরিসর রুদ্ধ করে দেয়, তখন প্রতিরোধ গড়ে ওঠে সীমানায়, মহাসড়কে, ক্যাম্পাসে, ডিজিটাল নেটওয়ার্কে এবং স্থানীয় মহল্লায়। দমন-পীড়নই আসলে এমন প্রতিরোধের ক্ষেত্র প্রস্তুত করে। প্রতিটি ব্যারিকেড তখন ভিন্নমতের প্রতীক ও সংগঠিত হওয়ার কেন্দ্রে পরিণত হয়। মোহন ভাগবত, নরেন্দ্র মোদী ও অমিত শাহকে অবশ্যই বুঝতে হবে যে, ফরমান জারি করে ভিন্নমত দমন করা যায় না। ইন্টারনেট ও মেট্রো পরিষেবা বন্ধ রাখা, প্রতিরোধমূলক আটক এবং কারাবাস—এসবের কোনোটিই মানুষের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাকে স্তব্ধ করতে পারেনি। পাবলো নেরুদার ভাষায়, তারা হয়তো সব ফুল কেটে ফেলতে পারে, কিন্তু বসন্তের আগমনকে আটকাতে পারে না। কর্তৃত্ববাদী মনোভাব ভঙ্গুর হয় এবং দমন-পীড়ন প্রায়শই রাজনৈতিক নিরাপত্তাহীনতারই লক্ষণ।

নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় বঞ্চনা প্রসঙ্গে

পরিসর বা অধিকারের এই লড়াই সংবিধান ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানসমূহ রক্ষার বৃহত্তর সংগ্রামেরই অংশ। ভোটার তালিকা সংশোধনের বিশেষ নিবিড় কর্মসূচি-এর ফলে দরিদ্র, অভিবাসী, সংখ্যালঘু এবং নারীদের ভোটাধিকার হারানোর ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, স্বল্পমেয়াদী অভিবাসী, নিরক্ষর ভোটার এবং বিবাহিত নারীদের মতো অরক্ষিত জনগোষ্ঠীর ভোটার তালিকা থেকে বাদ পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ সংক্রান্ত ২০২৩ সালের আইনটি নির্বাচন প্যানেল থেকে ভারতের প্রধান বিচারপতিকে বাদ দিয়েছে এবং নিয়োগ প্রক্রিয়ার নিয়ন্ত্রণ নির্বাহী বিভাগের হাতে ন্যস্ত করেছে। এই আইন নির্বাচন কমিশনারকে দেওয়ানি ও ফৌজদারি মামলা থেকে আজীবন সুরক্ষা প্রদান করে। অথচ ভারতের রাষ্ট্রপতির ক্ষেত্রেও এই সুরক্ষা কেবল তার কার্যকাল পর্যন্তই বলবৎ থাকে।

প্রকাশ্যে ভিন্নমত দমন এবং গোপনে ভোটার তালিকায় কারচুপির মাধ্যমে বিজেপি সরকার আমাদের গণতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রকে উভয় দিক থেকেই অন্তঃসারশূন্য করে তুলছে। গণতান্ত্রিক ও ধর্মনিরপেক্ষ শক্তিগুলোকে রাজপথ, আদালত এবং ব্যালট—এই তিন ক্ষেত্রকে একীভূত করে একটি সমন্বিত গণতান্ত্রিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। প্রতিবাদ করার অধিকার জনগণের সহজাত অধিকার; স্বাধীনতা সংগ্রামের মধ্য দিয়ে অর্জিত এই অধিকার সংবিধানের ১৯ নম্বর অনুচ্ছেদে স্বীকৃত। আমরা দাবি জানাই, যন্তর মন্তর ও পার্লামেন্ট স্ট্রিটে জমায়েত ও মিছিল করার অধিকার পুনর্বহাল করা হোক এবং নয়াদিল্লিতে বিএনএসএস-এর ১৬৩ নম্বর ধারার নির্বিচার ও স্থায়ী প্রয়োগ বন্ধ করা হোক। সরকারকে অবশ্যই আটক অভিযান এবং শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ দমনে সহিংসতা বন্ধ করতে হবে। কর্তৃপক্ষ যদি যন্তর মন্তরে ব্যারিকেড দেয়, তবে আমরা কেবল সেই ব্যারিকেডই অমান্য করব না, বরং ভারতের জনগণ হিসেবে দেশের প্রতিটি প্রান্তে অসংখ্য যন্তর মন্তর গড়ে তুলব।

গণতন্ত্রের চর্চা করলেই কেবল তাকে রক্ষা করা সম্ভব, আর আমাদের কাজ হলো সেই চর্চার লক্ষ্যে ব্যাপকতম সংগ্রাম গড়ে তোলা।

বসন্ত আসবেই।

এম.এ. বেবি: সাধারণ সম্পাদক, ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি (মার্ক্সবাদী)

(এই লেখাটি ভারতের দ্য হিন্দু পত্রিকার সৌজন্যে প্রকাশিত হলো।)

গত কয়েক মাসে যন্তর মন্তর এলাকায় বেশ জোরদার আন্দোলন-বিক্ষোভ দেখা গেছে। ভারতের নির্বাচন কমিশনের কার্যকলাপ নিয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত সাম্প্রতিক একটি প্রতিবেদনের জেরে নতুন করে বিক্ষোভের ঢেউ উঠেছে। এবারের বিক্ষোভের লক্ষ্যবস্তু হলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) জ্ঞানেশ কুমার।

Advertisement
সর্বশেষ
  • ১

    হাসল লিটনের ব্যাট, শেষ হাসিটাও বাংলাদেশের?

  • ২

    তিন মাসে সাংবাদিক নিপীড়নের ৩৯ ঘটনা, কিউআরএসের উদ্বেগ

  • ৩

    ব্যারিকেড গণতন্ত্রের কণ্ঠস্বরকে স্তব্ধ করতে পারে না

  • ৪

    এনসিটির ইজারা চুক্তি বাতিলের দাবিতে স্টুডেন্টস ফর সভরেন্টির বিক্ষোভ

  • ৫

    একাডেমিক গবেষণায় সরকারি অনুদান দেয় কারা?

সম্পর্কিত
  • পাকিস্তান: স্থিতিশীলতা কেন আজও অধরা

    পাকিস্তান: স্থিতিশীলতা কেন আজও অধরা

    সাম্প্রতিক ঘটনাবলি আবারও মনে করিয়ে দিচ্ছে যে, দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা কতটা অধরা। পারস্পরিক দোষারোপের মধ্য দিয়ে আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পর পিটিআই ও সরকারের মধ্যকার সংঘাত তীব্র আকার ধারণ করে।

  • গাইড বইয়ের বিপরীতে একটা নির্মোহ প্রস্তাবনা

    গাইড বইয়ের বিপরীতে একটা নির্মোহ প্রস্তাবনা

    বর্তমানে শিক্ষার্থীদের জ্ঞান অর্জনের অনেক মাধ্যম চোখে পড়ে। এখন শিক্ষার মাধ্যম হিসেবে পাঠ্যপুস্তক, গাইড বই, রেফারেন্স বই ও শিক্ষকের পাশাপাশি রয়েছে ইন্টারনেট, জার্নাল, মাল্টিমিডিয়া, ইউটিউবসহ নানা পরিসর। তবে এখন পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের কাছে সবচেয়ে জনপ্রিয় ও সহজলভ্য মাধ্যম হয়ে আছে গাইড বই

  • দিল্লির জেনজি আন্দোলনে টালমাটাল মোদির গদি!

    দিল্লির জেনজি আন্দোলনে টালমাটাল মোদির গদি!

    তরুণদের ক্ষেপিয়ে কোনো দেশের শাসকেরা যে টিকতে পারেন না, সেটা নিকট অতীতে বাংলাদেশ ও নেপাল প্রমাণ করেছে।

  • ভারত: গণ-আন্দোলনের মুখোমুখি এক অনমনীয় রাষ্ট্র

    ভারত: গণ-আন্দোলনের মুখোমুখি এক অনমনীয় রাষ্ট্র

    সরকার ষড়যন্ত্রের তত্ত্ব এবং নেপাল ও বাংলাদেশে কথিত বিদেশি হস্তক্ষেপের প্রসঙ্গ টেনে এই আন্দোলনকে বিদেশি শক্তির কারসাজি হিসেবে চিহ্নিত করে এর বিশ্বাসযোগ্যতা ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা করবে। কিন্তু উভয় ক্ষেত্রেই, যারা বিষয়টি খতিয়ে দেখতে ইচ্ছুক ছিলেন, তাদের কাছেই জনগণের পুঞ্জীভূত ক্ষোভের গভীরতা স্পষ্ট ছিল।