চবি প্রতিনিধি

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগে অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে উপ-উপাচার্যের কক্ষে এই অভিযান পরিচালিত হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়াহ্ইয়া আখতারের সময়ে হওয়া বিভিন্ন নিয়োগ নিয়ে ওঠা অভিযোগের প্রেক্ষিতেই এই অভিযান বলে জানান দুদকের সহকারী পরিচালক ও টিম লিডার সায়েদ আলম।
সায়েদ আলম বলেন, "আমরা নথিপত্র পর্যালোচনা করছি। ফার্সি বিভাগে নিয়োগের ক্ষেত্রে প্ল্যানিং কমিটির সুপারিশ ছিল না বলে প্রাথমিক রেকর্ডে দেখা গেছে। তবে নম্বর শিট না পাওয়ায় নিয়োগ প্রক্রিয়াটি বৈধ ছিল কি না, তা এই মুহূর্তে নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।"
তিনি আরও জানান, ৫৬৫তম সিন্ডিকেট সভায় হওয়া নিয়োগগুলোর রেকর্ডপত্রও যাচাই করা হচ্ছে। এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ মতামত নেওয়া হবে এবং আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কমিশনে প্রতিবেদন জমা দেব।"
অভিযোগ ১০০ থেকে ১৫০ জন নিয়োগের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "সর্বশেষ সিন্ডিকেটে ১৮ জন শিক্ষক নিয়োগ হয়েছে। সব নিয়োগ নতুন নয়, কিছু স্থায়ীকরণ করা হয়েছে। মোট কতজন নিয়োগ হয়েছে, তা রেকর্ড দেখে বিস্তারিত বলা সম্ভব হবে।"
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ শামিম উদ্দিন খান বলেন, "পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সবকিছুই স্বচ্ছ হওয়া প্রয়োজন। আগে অনেক অনুমোদনহীন নিয়োগ ছিল, আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পর সেগুলো ইউজিসির শর্ত মেনে স্থায়ীকরণ করছি। প্রতিটি নিয়োগ সততার সাথে হয়েছে।"
তিনি আরও বলেন, "নাট্যকলা, সংগীত ও স্পোর্টস সায়েন্স বিভাগে লোকবল সংকট তীব্র। জনবল না দিলে শিক্ষা কার্যক্রম স্থবির হয়ে যাবে। ছাত্রদের চাপের মুখেও আমরা নিয়ম মেনে শিক্ষক নিয়োগ দিয়েছি।"
ফার্সি বিভাগের নিয়োগ নিয়ে তিনি বলেন, ২০২১ সালে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হলেও একটি কথোপকথন ভাইরাল হওয়ায় তখন নিয়োগ স্থগিত ছিল। বর্তমান প্রশাসন নিয়ম মেনেই সেই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে।
দুদকের এই অভিযানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপ-সহকারী পরিচালক হামেদ রেজা এবং উপ-সহকারী পরিচালক সবুজ হোসেন।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগে অনিয়ম ও স্বজনপ্রীতির অভিযোগে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনে উপ-উপাচার্যের কক্ষে এই অভিযান পরিচালিত হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইয়াহ্ইয়া আখতারের সময়ে হওয়া বিভিন্ন নিয়োগ নিয়ে ওঠা অভিযোগের প্রেক্ষিতেই এই অভিযান বলে জানান দুদকের সহকারী পরিচালক ও টিম লিডার সায়েদ আলম।
সায়েদ আলম বলেন, "আমরা নথিপত্র পর্যালোচনা করছি। ফার্সি বিভাগে নিয়োগের ক্ষেত্রে প্ল্যানিং কমিটির সুপারিশ ছিল না বলে প্রাথমিক রেকর্ডে দেখা গেছে। তবে নম্বর শিট না পাওয়ায় নিয়োগ প্রক্রিয়াটি বৈধ ছিল কি না, তা এই মুহূর্তে নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না।"
তিনি আরও জানান, ৫৬৫তম সিন্ডিকেট সভায় হওয়া নিয়োগগুলোর রেকর্ডপত্রও যাচাই করা হচ্ছে। এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞ মতামত নেওয়া হবে এবং আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কমিশনে প্রতিবেদন জমা দেব।"
অভিযোগ ১০০ থেকে ১৫০ জন নিয়োগের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "সর্বশেষ সিন্ডিকেটে ১৮ জন শিক্ষক নিয়োগ হয়েছে। সব নিয়োগ নতুন নয়, কিছু স্থায়ীকরণ করা হয়েছে। মোট কতজন নিয়োগ হয়েছে, তা রেকর্ড দেখে বিস্তারিত বলা সম্ভব হবে।"
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক মোহাম্মদ শামিম উদ্দিন খান বলেন, "পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সবকিছুই স্বচ্ছ হওয়া প্রয়োজন। আগে অনেক অনুমোদনহীন নিয়োগ ছিল, আমরা দায়িত্ব নেওয়ার পর সেগুলো ইউজিসির শর্ত মেনে স্থায়ীকরণ করছি। প্রতিটি নিয়োগ সততার সাথে হয়েছে।"
তিনি আরও বলেন, "নাট্যকলা, সংগীত ও স্পোর্টস সায়েন্স বিভাগে লোকবল সংকট তীব্র। জনবল না দিলে শিক্ষা কার্যক্রম স্থবির হয়ে যাবে। ছাত্রদের চাপের মুখেও আমরা নিয়ম মেনে শিক্ষক নিয়োগ দিয়েছি।"
ফার্সি বিভাগের নিয়োগ নিয়ে তিনি বলেন, ২০২১ সালে বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হলেও একটি কথোপকথন ভাইরাল হওয়ায় তখন নিয়োগ স্থগিত ছিল। বর্তমান প্রশাসন নিয়ম মেনেই সেই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে।
দুদকের এই অভিযানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপ-সহকারী পরিচালক হামেদ রেজা এবং উপ-সহকারী পরিচালক সবুজ হোসেন।