চরচা প্রতিবেদক

দেশে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করতে বিপণিবিতান ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে আলোকসজ্জা বন্ধ রাখা এবং এসির তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের উপরে রাখার কঠোর নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। একইসঙ্গে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং গুজব রুখতে জেলা প্রশাসনকে বিশেষ নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আজ রোববার বিদ্যুৎ বিভাগে আয়োজিত এক জরুরি সভা শেষে প্রকাশিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এসব সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের সভাপতিত্বে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
গণবিজ্ঞপ্তির মূল নির্দেশনাসমূহ
আলোকসজ্জা বন্ধ: কোনো বিপণিবিতান বা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বাইরের অংশে কোনো ধরনের আলোকসজ্জা করতে পারবে না।
সাইনবোর্ড: দোকান বন্ধ করার সাথে সাথেই প্রতিষ্ঠানের সাইনবোর্ডের আলো অবশ্যই বন্ধ করতে হবে।
এসি নিয়ন্ত্রণ: শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র বা এসির তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার বেশি নির্ধারণ করে চালাতে হবে।
সভায় এফবিসিসিআই, ঢাকা চেম্বার এবং বিভিন্ন দোকান মালিক সমিতির প্রতিনিধিরা এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে একমত পোষণ করেন।
জ্বালানি তেলের সরবরাহ ও বিপণন ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফেরাতে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) কার্যকর ভূমিকা নিতে বলা হয়েছে। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তেলের মজুত নিয়ে ছড়ানো বিভ্রান্তি ও অস্থিরতা দূর করতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
জ্বালানি বিভাগ স্পষ্ট করেছে, কোথাও যেন কৃত্রিম সংকট তৈরি না হয় বা কেউ অবৈধভাবে তেল মজুত করতে না পারে, সে বিষয়ে জেলা প্রশাসন কঠোর নজরদারি চালাবে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) আশ্বস্ত করেছে, দেশে বর্তমানে ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেনের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে।
বিপিসি সূত্রে জানা যায়, দেশে বর্তমানে ৩০ থেকে ৪৫ দিনের চাহিদার সমান জ্বালানি তেল মজুত আছে। প্রতিদিন গড়ে ১৭ থেকে ১৯ হাজার টন তেল বাজারে সরবরাহ করা হচ্ছে।
সরকারের এই নতুন নির্দেশনার ফলে আসন্ন মাসগুলোতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয় ত্বরান্বিত হবে এবং বাজারে অস্থিরতা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।

দেশে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয় নিশ্চিত করতে বিপণিবিতান ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে আলোকসজ্জা বন্ধ রাখা এবং এসির তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের উপরে রাখার কঠোর নির্দেশনা দিয়েছে সরকার। একইসঙ্গে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং গুজব রুখতে জেলা প্রশাসনকে বিশেষ নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আজ রোববার বিদ্যুৎ বিভাগে আয়োজিত এক জরুরি সভা শেষে প্রকাশিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এসব সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের সভাপতিত্বে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়।
গণবিজ্ঞপ্তির মূল নির্দেশনাসমূহ
আলোকসজ্জা বন্ধ: কোনো বিপণিবিতান বা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বাইরের অংশে কোনো ধরনের আলোকসজ্জা করতে পারবে না।
সাইনবোর্ড: দোকান বন্ধ করার সাথে সাথেই প্রতিষ্ঠানের সাইনবোর্ডের আলো অবশ্যই বন্ধ করতে হবে।
এসি নিয়ন্ত্রণ: শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র বা এসির তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বা তার বেশি নির্ধারণ করে চালাতে হবে।
সভায় এফবিসিসিআই, ঢাকা চেম্বার এবং বিভিন্ন দোকান মালিক সমিতির প্রতিনিধিরা এসব সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে একমত পোষণ করেন।
জ্বালানি তেলের সরবরাহ ও বিপণন ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফেরাতে জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) কার্যকর ভূমিকা নিতে বলা হয়েছে। সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তেলের মজুত নিয়ে ছড়ানো বিভ্রান্তি ও অস্থিরতা দূর করতে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
জ্বালানি বিভাগ স্পষ্ট করেছে, কোথাও যেন কৃত্রিম সংকট তৈরি না হয় বা কেউ অবৈধভাবে তেল মজুত করতে না পারে, সে বিষয়ে জেলা প্রশাসন কঠোর নজরদারি চালাবে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি) আশ্বস্ত করেছে, দেশে বর্তমানে ডিজেল, পেট্রোল ও অকটেনের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে।
বিপিসি সূত্রে জানা যায়, দেশে বর্তমানে ৩০ থেকে ৪৫ দিনের চাহিদার সমান জ্বালানি তেল মজুত আছে। প্রতিদিন গড়ে ১৭ থেকে ১৯ হাজার টন তেল বাজারে সরবরাহ করা হচ্ছে।
সরকারের এই নতুন নির্দেশনার ফলে আসন্ন মাসগুলোতে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয় ত্বরান্বিত হবে এবং বাজারে অস্থিরতা কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।