চরচা প্রতিবেদক

ব্যক্তিশ্রেণির করদাতার করমুক্ত আয়সীমা বাড়িয়ে পৌনে চার লাখ টাকা করা হয়েছে। বর্তমানে এই সীমা সাড়ে তিন লাখ টাকা পর্যন্ত।
আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে বাজেট ঘোষণা করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। সেখানে করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানোর ঘোষনা দেন তিনি।
এদিকে দেশের মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয় বৃদ্ধির বাস্তবতা বিবেচনা করে ব্যক্তি শ্রেণির করদাতাদের জন্য আগামী পাঁচ বছরের করমুক্ত আয়সীমা ও করহারের একটি দীর্ঘমেয়াদি রোডম্যাপ বা পথনকশা ঘোষণা করেছে সরকার। এর ফলে করদাতারা আগে থেকেই তাদের আগাম কর পরিকল্পনা করতে পারবেন।
২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে প্রথম ধাপে করমুক্ত আয়সীমা বিদ্যমান ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। সরকারের এই পাঁচ বছরের পথনকশা অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮ করবর্ষে করমুক্ত আয়সীমা ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকাই থাকবে। এরপর ২০২৮-২৯ ও ২০২৯-৩০ করবর্ষে তা বাড়িয়ে ৪ লাখ টাকা করা হবে এবং সর্বশেষ ২০৩০-৩১ করবর্ষে এই সীমা ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকায় উন্নীত করা হবে।
সাধারণ করদাতাদের পাশাপাশি বিশেষ শ্রেণির করদাতাদের জন্যও বাজেটে বাড়তি সুবিধা রাখা হয়েছে। নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, নারী করদাতা ও ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সী নাগরিকদের করমুক্ত আয়সীমা ৪ লাখ ২৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তি ও প্রতিবন্ধী করদাতাদের জন্য এই সীমা ৫ লাখ টাকা এবং গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও জুলাই যোদ্ধাদের জন্য ৫ লাখ ২৫ হাজার টাকা রাখা হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিবন্ধী ব্যক্তির পিতা-মাতা বা আইনানুগ অভিভাবক তাদের প্রতিটি প্রতিবন্ধী সন্তান বা পোষ্যের জন্য অতিরিক্ত ৫০ হাজার টাকা করে করমুক্ত সুবিধা পাবেন।
নতুন কর কাঠামো অনুযায়ী করহারের বিন্যাসেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। করমুক্ত সীমার পরবর্তী ৩ লাখ টাকার ওপর ১০ শতাংশ, পরবর্তী ৪ লাখ টাকার ওপর ১৫ শতাংশ, পরবর্তী ৫ লাখ টাকার ওপর ২০ শতাংশ এবং পরবর্তী ২০ লাখ টাকার ওপর ২৫ শতাংশ হারে কর আরোপ করা হবে। আর ৩৫ লাখ ৭৫ হাজার টাকার বেশি আয়ের ওপর করহার হবে ৩০ শতাংশ। উচ্চ আয়ের করদাতাদের ক্ষেত্রেও পরিবর্তনের প্রস্তাব রাখা হয়েছে, যেখানে ২০২৮-২৯ করবর্ষ থেকে ৩ কোটি টাকার বেশি আয়ের ওপর সর্বোচ্চ করহার ৩৫ শতাংশ নির্ধারণের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।

ব্যক্তিশ্রেণির করদাতার করমুক্ত আয়সীমা বাড়িয়ে পৌনে চার লাখ টাকা করা হয়েছে। বর্তমানে এই সীমা সাড়ে তিন লাখ টাকা পর্যন্ত।
আজ বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে বাজেট ঘোষণা করেছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। সেখানে করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানোর ঘোষনা দেন তিনি।
এদিকে দেশের মূল্যস্ফীতি ও জীবনযাত্রার ক্রমবর্ধমান ব্যয় বৃদ্ধির বাস্তবতা বিবেচনা করে ব্যক্তি শ্রেণির করদাতাদের জন্য আগামী পাঁচ বছরের করমুক্ত আয়সীমা ও করহারের একটি দীর্ঘমেয়াদি রোডম্যাপ বা পথনকশা ঘোষণা করেছে সরকার। এর ফলে করদাতারা আগে থেকেই তাদের আগাম কর পরিকল্পনা করতে পারবেন।
২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে প্রথম ধাপে করমুক্ত আয়সীমা বিদ্যমান ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা করার প্রস্তাব করা হয়েছে। সরকারের এই পাঁচ বছরের পথনকশা অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ ও ২০২৭-২৮ করবর্ষে করমুক্ত আয়সীমা ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকাই থাকবে। এরপর ২০২৮-২৯ ও ২০২৯-৩০ করবর্ষে তা বাড়িয়ে ৪ লাখ টাকা করা হবে এবং সর্বশেষ ২০৩০-৩১ করবর্ষে এই সীমা ৪ লাখ ৫০ হাজার টাকায় উন্নীত করা হবে।
সাধারণ করদাতাদের পাশাপাশি বিশেষ শ্রেণির করদাতাদের জন্যও বাজেটে বাড়তি সুবিধা রাখা হয়েছে। নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, নারী করদাতা ও ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সী নাগরিকদের করমুক্ত আয়সীমা ৪ লাখ ২৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তি ও প্রতিবন্ধী করদাতাদের জন্য এই সীমা ৫ লাখ টাকা এবং গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও জুলাই যোদ্ধাদের জন্য ৫ লাখ ২৫ হাজার টাকা রাখা হয়েছে। পাশাপাশি প্রতিবন্ধী ব্যক্তির পিতা-মাতা বা আইনানুগ অভিভাবক তাদের প্রতিটি প্রতিবন্ধী সন্তান বা পোষ্যের জন্য অতিরিক্ত ৫০ হাজার টাকা করে করমুক্ত সুবিধা পাবেন।
নতুন কর কাঠামো অনুযায়ী করহারের বিন্যাসেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। করমুক্ত সীমার পরবর্তী ৩ লাখ টাকার ওপর ১০ শতাংশ, পরবর্তী ৪ লাখ টাকার ওপর ১৫ শতাংশ, পরবর্তী ৫ লাখ টাকার ওপর ২০ শতাংশ এবং পরবর্তী ২০ লাখ টাকার ওপর ২৫ শতাংশ হারে কর আরোপ করা হবে। আর ৩৫ লাখ ৭৫ হাজার টাকার বেশি আয়ের ওপর করহার হবে ৩০ শতাংশ। উচ্চ আয়ের করদাতাদের ক্ষেত্রেও পরিবর্তনের প্রস্তাব রাখা হয়েছে, যেখানে ২০২৮-২৯ করবর্ষ থেকে ৩ কোটি টাকার বেশি আয়ের ওপর সর্বোচ্চ করহার ৩৫ শতাংশ নির্ধারণের পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের।