চরচা প্রতিবেদক

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে গুলি চালানোসহ পরিকল্পনা ও আসামিদের পালাতে সহায়তার অভিযোগে ফয়সাল করিম মাসুদসহ ১৭ জনকে দায়ী করে আদালতে চার্জশিট দিয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
ডিবি বলছে, হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মিরপুরের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর এবং ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পি।
আজ মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলাম।
শফিকুল ইসলাম বলন, “অভিযুক্তরা নিজেদের নির্দোষ প্রমাণে বিভিন্ন সময় বক্তব্য ও ভিডিও বার্তা ছড়াতে পারেন। এসব ভিডিও ও বক্তব্য আমরা যাচাই-বাছাই ও পর্যালোচনা করেছি। তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আমরা নিশ্চিত হয়েছি, মামলার ভিত্তি অত্যন্ত শক্ত। চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে। আদালত অভিযোগ গ্রহণের পর চার্জ গঠন হবে এবং বিচারিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই সবকিছু চূড়ান্তভাবে নির্ধারিত হবে।”
ঢাকা-৮ আসনের নির্বাচন করতে চাওয়া হাদিকে গত ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর বিজয়নগরে চলন্ত রিকশায় থাকা হাদিকে গুলি করেন চলন্ত মোটরসাইকেলের পেছনে বসে থাকা আততায়ী।
হাদিকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে অস্ত্রোপচার করার পর রাতেই তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয় হয়। দু’দিন পর এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে হাদিকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন থাকার পর গত ১৮ ডিসেম্বর হাদির মৃত্যুর খবর আসে।
ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল জানান, এ মামলায় এ পর্যন্ত ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পাঁচজন এখনো পলাতক রয়েছে। পলাতক আসামিদের মধ্যে রয়েছেন-ফয়সাল করিম মাসুদ, আলমগীর শেখ, বাপ্পি, জেসমিন এবং ফয়সালকে পালাতে সহযোগিতাকারী ও মানব পাচারকারী ফিলিপ।
ডিবির তথ্য অনুযায়ী, প্রধান পলাতক আসামি বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন। এছাড়া তদন্তে একটি ওয়ার্ড কাউন্সিলরের প্রত্যক্ষ সংশ্লিষ্টতার প্রাথমিক তথ্য পাওয়া গেছে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি বহনের কাজে ব্যবহৃত রিকশাসহ গুরুত্বপূর্ণ আলামত উদ্ধার করা হয়েছে।
ডিবি প্রধান বলেন, ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজগুলোও অরিজিনাল বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে। যদিও কিছু ফরেনসিক পরীক্ষার চূড়ান্ত রিপোর্ট এখনও পাওয়া যায়নি, তবে তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে ডিবি সন্তুষ্ট।

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যাকাণ্ডে গুলি চালানোসহ পরিকল্পনা ও আসামিদের পালাতে সহায়তার অভিযোগে ফয়সাল করিম মাসুদসহ ১৭ জনকে দায়ী করে আদালতে চার্জশিট দিয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
ডিবি বলছে, হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মিরপুরের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর এবং ঢাকা মহানগর উত্তর যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক তাইজুল ইসলাম চৌধুরী বাপ্পি।
আজ মঙ্গলবার বিকেলে রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) মো. শফিকুল ইসলাম।
শফিকুল ইসলাম বলন, “অভিযুক্তরা নিজেদের নির্দোষ প্রমাণে বিভিন্ন সময় বক্তব্য ও ভিডিও বার্তা ছড়াতে পারেন। এসব ভিডিও ও বক্তব্য আমরা যাচাই-বাছাই ও পর্যালোচনা করেছি। তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আমরা নিশ্চিত হয়েছি, মামলার ভিত্তি অত্যন্ত শক্ত। চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে। আদালত অভিযোগ গ্রহণের পর চার্জ গঠন হবে এবং বিচারিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়েই সবকিছু চূড়ান্তভাবে নির্ধারিত হবে।”
ঢাকা-৮ আসনের নির্বাচন করতে চাওয়া হাদিকে গত ১২ ডিসেম্বর রাজধানীর বিজয়নগরে চলন্ত রিকশায় থাকা হাদিকে গুলি করেন চলন্ত মোটরসাইকেলের পেছনে বসে থাকা আততায়ী।
হাদিকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে অস্ত্রোপচার করার পর রাতেই তাকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয় হয়। দু’দিন পর এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে হাদিকে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন থাকার পর গত ১৮ ডিসেম্বর হাদির মৃত্যুর খবর আসে।
ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল জানান, এ মামলায় এ পর্যন্ত ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পাঁচজন এখনো পলাতক রয়েছে। পলাতক আসামিদের মধ্যে রয়েছেন-ফয়সাল করিম মাসুদ, আলমগীর শেখ, বাপ্পি, জেসমিন এবং ফয়সালকে পালাতে সহযোগিতাকারী ও মানব পাচারকারী ফিলিপ।
ডিবির তথ্য অনুযায়ী, প্রধান পলাতক আসামি বর্তমানে ভারতে অবস্থান করছেন। এছাড়া তদন্তে একটি ওয়ার্ড কাউন্সিলরের প্রত্যক্ষ সংশ্লিষ্টতার প্রাথমিক তথ্য পাওয়া গেছে।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি বহনের কাজে ব্যবহৃত রিকশাসহ গুরুত্বপূর্ণ আলামত উদ্ধার করা হয়েছে।
ডিবি প্রধান বলেন, ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজগুলোও অরিজিনাল বলে প্রাথমিকভাবে নিশ্চিত হওয়া গেছে। যদিও কিছু ফরেনসিক পরীক্ষার চূড়ান্ত রিপোর্ট এখনও পাওয়া যায়নি, তবে তদন্তের অগ্রগতি নিয়ে ডিবি সন্তুষ্ট।