চরচা ডেস্ক

২০২৬ সালের বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবসের মূল প্রতিপাদ্য ‘অটিজম ও মানবিকতা: প্রতিটি জীবন মূল্যবান’। এই থিমটি আমাদের ভবিষ্যৎ সমাজের অংশ হিসেবে সকল অটিস্টিক মানুষের মর্যাদা ও গুরুত্বের বিষয়টিকে তুলে ধরে।
বর্তমানে যখন অটিস্টিক ব্যক্তিদের নিয়ে নানা ভুল তথ্য ও নেতিবাচক ধারণা নতুন করে দেখা দিচ্ছে, তখন এই বছরের আয়োজনটি একটি বিশেষ আহ্বান হিসেবে কাজ করছে। এর লক্ষ্য, অটিজম সম্পর্কে সংকীর্ণ ধারণা দূর করা এবং প্রতিটি অটিস্টিক মানুষের জন্মগত মর্যাদা, সমান অধিকার ও তাদের অপরিসীম মূল্যকে স্বীকৃতি দেওয়া।
২০০৭ সালের ডিসেম্বরে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে এই দিবসটি পালনের প্রস্তাব গৃহীত হয়। এর মূল লক্ষ্য ছিল অটিজম আক্রান্ত ব্যক্তিদের জীবনযাত্রার মান উন্নত করা।
অটিজম হলো একটি আজীবন স্থায়ী বিকাশজনিত অবস্থা, যা মানুষের যোগাযোগ, আচরণ এবং সামাজিক মেলামেশার ওপর বিভিন্ন মাত্রায় প্রভাব ফেলে। গত কয়েক বছরে এই সচেতনতা অভিযান কেবল অটিজমকে চেনার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং এটি এখন অন্তর্ভুক্তি, অধিকার এবং স্নায়ুবিক বৈচিত্র্য নিয়ে গভীর আলোচনায় রূপ নিয়েছে।
২০২১ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিশ্বজুড়ে আনুমানিক ৬ কোটি ১৮ লাখ মানুষ অটিজম স্পেকট্রাম ডিসঅর্ডারে আক্রান্ত, যা বিশ্বের প্রতি ১২৭ জন মানুষের মধ্যে একজনের এই অবস্থায় থাকার সমতুল্য। বৈশ্বিক মানদণ্ড অনুযায়ী প্রতি ১ লাখ মানুষের মধ্যে অটিজমের হার প্রায় ৭৮৮ দশমিক ৩ জন; যার মধ্যে পুরুষদের হার প্রতি ১ লাখে ১০৬৪ এবং নারীদের ক্ষেত্রে এই হার প্রতি ১ লাখে ৫০৮ জন। অটিজম স্পেকট্রাম ডিসঅর্ডারের কারণে বিশ্বব্যাপী মানুষের স্বাস্থ্যকর জীবনকাল থেকে প্রায় ১ কোটি ১৫ লাখ বছর হারিয়ে যাচ্ছে।
আঞ্চলিক পর্যায়ে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, পূর্ব এশিয়া এবং ওশেনিয়া অঞ্চলে এই স্বাস্থ্য ঝুঁকির হার প্রতি ১ লাখে ১২৬ দশমিক ৫ হলেও উচ্চ আয়ের দেশগুলোতে এই হার ২০৪ দশমিক ১ পর্যন্ত দেখা গেছে। অটিজমের এই প্রভাব মানুষের জীবনব্যাপী বিদ্যমান; যা ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের মধ্যে যেমন দৃশ্যমান, তেমনি বয়স বাড়ার সাথে সাথে এটি চলতে থাকে। বিশেষ করে ২০ বছরের কম বয়সী ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে আঘতজনিত বা অকাল-অক্ষমতার শীর্ষ ১০টি কারণের মধ্যে অটিজম বর্তমানে অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে স্থান করে নিয়েছে।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বাংলাদেশে মোট জনসংখ্যার ২ দশমিক ৮৭ শতাংশ মানুষ অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন। এই হিসাব মতে, দেশে প্রায় দেড় লাখ মানুষ অটিজমে আক্রান্ত এবং প্রতি বছর নতুন করে দেড় হাজার শিশু এই তালিকায় যুক্ত হচ্ছে, যা দৈনিক হিসেবে গড়ে চারজনেরও বেশি।
বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস কুসংস্কার ভাঙতে এবং অটিস্টিক ব্যক্তিদের গ্রহণ করে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিভিন্ন দেশের সরকার ও সংস্থাগুলো অটিস্টিক ব্যক্তিদের অবদানকে সম্মান জানাতে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এছাড়া এই দিনটি দ্রুত অটিজম শনাক্ত করা, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া এবং শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেয়।

২০২৬ সালের বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবসের মূল প্রতিপাদ্য ‘অটিজম ও মানবিকতা: প্রতিটি জীবন মূল্যবান’। এই থিমটি আমাদের ভবিষ্যৎ সমাজের অংশ হিসেবে সকল অটিস্টিক মানুষের মর্যাদা ও গুরুত্বের বিষয়টিকে তুলে ধরে।
বর্তমানে যখন অটিস্টিক ব্যক্তিদের নিয়ে নানা ভুল তথ্য ও নেতিবাচক ধারণা নতুন করে দেখা দিচ্ছে, তখন এই বছরের আয়োজনটি একটি বিশেষ আহ্বান হিসেবে কাজ করছে। এর লক্ষ্য, অটিজম সম্পর্কে সংকীর্ণ ধারণা দূর করা এবং প্রতিটি অটিস্টিক মানুষের জন্মগত মর্যাদা, সমান অধিকার ও তাদের অপরিসীম মূল্যকে স্বীকৃতি দেওয়া।
২০০৭ সালের ডিসেম্বরে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে এই দিবসটি পালনের প্রস্তাব গৃহীত হয়। এর মূল লক্ষ্য ছিল অটিজম আক্রান্ত ব্যক্তিদের জীবনযাত্রার মান উন্নত করা।
অটিজম হলো একটি আজীবন স্থায়ী বিকাশজনিত অবস্থা, যা মানুষের যোগাযোগ, আচরণ এবং সামাজিক মেলামেশার ওপর বিভিন্ন মাত্রায় প্রভাব ফেলে। গত কয়েক বছরে এই সচেতনতা অভিযান কেবল অটিজমকে চেনার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং এটি এখন অন্তর্ভুক্তি, অধিকার এবং স্নায়ুবিক বৈচিত্র্য নিয়ে গভীর আলোচনায় রূপ নিয়েছে।
২০২১ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বিশ্বজুড়ে আনুমানিক ৬ কোটি ১৮ লাখ মানুষ অটিজম স্পেকট্রাম ডিসঅর্ডারে আক্রান্ত, যা বিশ্বের প্রতি ১২৭ জন মানুষের মধ্যে একজনের এই অবস্থায় থাকার সমতুল্য। বৈশ্বিক মানদণ্ড অনুযায়ী প্রতি ১ লাখ মানুষের মধ্যে অটিজমের হার প্রায় ৭৮৮ দশমিক ৩ জন; যার মধ্যে পুরুষদের হার প্রতি ১ লাখে ১০৬৪ এবং নারীদের ক্ষেত্রে এই হার প্রতি ১ লাখে ৫০৮ জন। অটিজম স্পেকট্রাম ডিসঅর্ডারের কারণে বিশ্বব্যাপী মানুষের স্বাস্থ্যকর জীবনকাল থেকে প্রায় ১ কোটি ১৫ লাখ বছর হারিয়ে যাচ্ছে।
আঞ্চলিক পর্যায়ে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, পূর্ব এশিয়া এবং ওশেনিয়া অঞ্চলে এই স্বাস্থ্য ঝুঁকির হার প্রতি ১ লাখে ১২৬ দশমিক ৫ হলেও উচ্চ আয়ের দেশগুলোতে এই হার ২০৪ দশমিক ১ পর্যন্ত দেখা গেছে। অটিজমের এই প্রভাব মানুষের জীবনব্যাপী বিদ্যমান; যা ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের মধ্যে যেমন দৃশ্যমান, তেমনি বয়স বাড়ার সাথে সাথে এটি চলতে থাকে। বিশেষ করে ২০ বছরের কম বয়সী ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে আঘতজনিত বা অকাল-অক্ষমতার শীর্ষ ১০টি কারণের মধ্যে অটিজম বর্তমানে অন্যতম প্রধান কারণ হিসেবে স্থান করে নিয়েছে।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বাংলাদেশে মোট জনসংখ্যার ২ দশমিক ৮৭ শতাংশ মানুষ অটিজম বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন। এই হিসাব মতে, দেশে প্রায় দেড় লাখ মানুষ অটিজমে আক্রান্ত এবং প্রতি বছর নতুন করে দেড় হাজার শিশু এই তালিকায় যুক্ত হচ্ছে, যা দৈনিক হিসেবে গড়ে চারজনেরও বেশি।
বিশ্ব অটিজম সচেতনতা দিবস কুসংস্কার ভাঙতে এবং অটিস্টিক ব্যক্তিদের গ্রহণ করে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। বিভিন্ন দেশের সরকার ও সংস্থাগুলো অটিস্টিক ব্যক্তিদের অবদানকে সম্মান জানাতে নানা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এছাড়া এই দিনটি দ্রুত অটিজম শনাক্ত করা, প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া এবং শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ নিশ্চিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেয়।