চরচা ডেস্ক

আত্মহত্যার ঘটনা প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং তরুণদের মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক নুর।
আজ শনিবার বাংলা একাডেমির শামসুর রহমান সেমিনার কক্ষে আঁচল ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আয়োজিত অ্যানিভার্সারি প্রোগ্রাম ও সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
‘Building Mental Health Ecosystem for Gen Z, Alpha and Beta Generation’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত বিভিন্ন সেশন অনুষ্ঠিত হয়।
নুর বলেন, বর্তমান সময়ে অনেক তরুণ সামান্য অপ্রাপ্তিতেই হতাশ হয়ে আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। এ অবস্থা থেকে বের হতে আত্মনিয়ন্ত্রণ, ইতিবাচক মানসিকতা এবং ছোট ছোট উদ্যোগ গ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরেন তিনি। একই সঙ্গে সরকারি-বেসরকারি সংস্থা ও সমাজের সম্মিলিত উদ্যোগে একটি শক্তিশালী মানসিক স্বাস্থ্য সাপোর্ট সিস্টেম গড়ে তোলার আহ্বানও জানান তিনি।
বিশেষ অতিথি আতিকুর রহমান মুজাহিদ বলেন, তরুণদের মানসিক চাপ মোকাবেলায় সঠিক দিকনির্দেশনা, বন্ধু ও মেন্টরের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সেমিনারের কী-নোট উপস্থাপনায় ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট রুমা খন্দকার তরুণ প্রজন্মের মানসিক স্বাস্থ্য সংকট এবং তা মোকাবেলায় বহুমাত্রিক উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। এছাড়া ডা. সায়েদুল ইসলাম সাঈদ ও ডা. ফয়সাল রাহাত মানসিক রোগের কারণ, লক্ষণ ও প্রতিরোধ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
এনসিডিসির প্রতিনিধি এসএম মুস্তাফিজ জানান, ২৫ বছরের মধ্যে মানসিক সমস্যা শনাক্ত করা গেলে ৭৫ শতাংশ সমস্যা প্রতিরোধ সম্ভব।
আঁচল ফাউন্ডেশনের সভাপতি তানসেন রোজের সভাপতিত্বে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধি, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও গণমাধ্যমকর্মীদের অংশগ্রহণ ছিল।

আত্মহত্যার ঘটনা প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং তরুণদের মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক নুর।
আজ শনিবার বাংলা একাডেমির শামসুর রহমান সেমিনার কক্ষে আঁচল ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে আয়োজিত অ্যানিভার্সারি প্রোগ্রাম ও সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
‘Building Mental Health Ecosystem for Gen Z, Alpha and Beta Generation’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত বিভিন্ন সেশন অনুষ্ঠিত হয়।
নুর বলেন, বর্তমান সময়ে অনেক তরুণ সামান্য অপ্রাপ্তিতেই হতাশ হয়ে আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নিচ্ছে। এ অবস্থা থেকে বের হতে আত্মনিয়ন্ত্রণ, ইতিবাচক মানসিকতা এবং ছোট ছোট উদ্যোগ গ্রহণের গুরুত্ব তুলে ধরেন তিনি। একই সঙ্গে সরকারি-বেসরকারি সংস্থা ও সমাজের সম্মিলিত উদ্যোগে একটি শক্তিশালী মানসিক স্বাস্থ্য সাপোর্ট সিস্টেম গড়ে তোলার আহ্বানও জানান তিনি।
বিশেষ অতিথি আতিকুর রহমান মুজাহিদ বলেন, তরুণদের মানসিক চাপ মোকাবেলায় সঠিক দিকনির্দেশনা, বন্ধু ও মেন্টরের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
সেমিনারের কী-নোট উপস্থাপনায় ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট রুমা খন্দকার তরুণ প্রজন্মের মানসিক স্বাস্থ্য সংকট এবং তা মোকাবেলায় বহুমাত্রিক উদ্যোগের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন। এছাড়া ডা. সায়েদুল ইসলাম সাঈদ ও ডা. ফয়সাল রাহাত মানসিক রোগের কারণ, লক্ষণ ও প্রতিরোধ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
এনসিডিসির প্রতিনিধি এসএম মুস্তাফিজ জানান, ২৫ বছরের মধ্যে মানসিক সমস্যা শনাক্ত করা গেলে ৭৫ শতাংশ সমস্যা প্রতিরোধ সম্ভব।
আঁচল ফাউন্ডেশনের সভাপতি তানসেন রোজের সভাপতিত্বে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধি, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও গণমাধ্যমকর্মীদের অংশগ্রহণ ছিল।