মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন ডেমোক্র্যাটিক কংগ্রেসওম্যান ইলহান ওমরের নাগরিকত্ব বাতিল এবং শেষ পর্যন্ত তাকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কারের লক্ষ্যে তদন্ত করছে।
দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
মার্কিন কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে স্থানীয় সময় গতকাল বুধবার ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তদন্তের একটি প্রধান বিষয় হলো, সোমালিয়া থেকে শরণার্থী হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রে আসার পর কীভাবে নাগরিকত্ব পেয়েছিলেন মিনেসোটার এই প্রতিনিধি। কর্তৃপক্ষ তার পরিবারের অভিবাসনসংক্রান্ত নথিপত্র খতিয়ে দেখছে।
এ ছাড়া মিনেসোটায় একটি গ্র্যান্ড জুরির সামনে সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য তার কয়েকজন আত্মীয়সহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছে এক ডজনেরও বেশি সমন জারি করা হয়েছে।
ওমরের কার্যালয় দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালকে দেওয়া বক্তব্যে এই তদন্তকে ভিত্তিহীন বলে প্রত্যাখ্যান করেছে।
পত্রিকাটির এই প্রতিবেদন প্রকাশের কয়েক দিন আগেই মার্কিন ফেডারেল এজেন্টরা কংগ্রেসওম্যানের বাড়িতে তল্লাশি চালান। ট্রাম্প প্রশাসনের রাজনৈতিক প্রতিপক্ষদের বিরুদ্ধে এটিকে ‘নজিরবিহীন উত্তেজনা বৃদ্ধি’ বলেছিল ওমরের কার্যালয়।
আগামী ৩ নভেম্বরের মধ্যবর্তী নির্বাচনের কয়েক সপ্তাহ আগে এ তল্লাশি চালানো হয়। কংগ্রেসের নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকা রিপাবলিকানদের জন্য এই নির্বাচন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ওমর মিনেসোটার পঞ্চম কংগ্রেসনাল ডিস্ট্রিক্টের প্রতিনিধি হিসেবে পঞ্চম মেয়াদে নির্বাচিত হওয়ার চেষ্টা করছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের নিরাপত্তা বিভাগ জানিয়েছে, এই তল্লাশি ‘চলমান কেন্দ্রীয় তদন্তের’ অংশ ছিল।
দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল জানিয়েছে, তল্লাশি সম্পর্কে অবগত ব্যক্তিদের তথ্য অনুযায়ী, এজেন্টরা ওমরের পাসপোর্ট, মুঠোফোন, ব্যক্তিগত কম্পিউটার ও নোটবুক নিয়ে গেছেন।
১৯৯৫ সালে কেনিয়ার একটি শরণার্থীশিবিরে বসবাসের পর যুক্তরাষ্ট্রে আসেন ওমর। ২০০০ সালে তিনি দেশটির নাগরিকত্ব পান।