চরচা ডেস্ক

দীর্ঘদিনের কঠোর নিষেধাজ্ঞা ধীরে ধীরে শিথিল করছে সৌদি আরব। তারা তাদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক নীতির অংশ হিসেবে আরও দুটি নতুন অ্যালকোহল স্টোর চালুর পরিকল্পনা করছে। বিষয়টি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা না হলেও পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত একাধিক সূত্র বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
জানা গেছে, পূর্বাঞ্চলীয় ধাহরান শহরে অ্যালকোহল স্টোরটি স্থাপন করা হবে আরামকোর নিজস্ব একটি আবাসিক কমপ্লেক্সে। স্টোরটি শুধুমাত্র অমুসলিম বিদেশি কর্মীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। আরেকটি স্টোর খোলা হবে বাণিজ্যিক শহর জেদ্দায়, যা কূটনীতিকদের জন্য নির্ধারিত হবে। উভয় স্টোরই ২০২৬ সালে চালু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যদিও চূড়ান্ত সময় এখনো নির্ধারিত হয়নি।
এর আগে ২০২৪ সালে রিয়াদে প্রথমবারের মতো অমুসলিম কূটনীতিকদের জন্য ‘বুজ ব্যাংকার’ নামে পরিচিত একটি বিশেষ অ্যালকোহল স্টোর চালু হয়, যা সৌদি আরবে ৭৩ বছরের নিষেধাজ্ঞার পর এক নজিরবিহীন পরিবর্তন ছিল। সম্প্রতি রিয়াদের এই স্টোরের গ্রাহক পরিধি বাড়িয়ে প্রিমিয়াম রেসিডেন্সি ভিসাধারী অমুসলিম বিদেশিদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
সৌদি আরবে দীর্ঘদিন ধরে অ্যালকোহল নিষিদ্ধ। এখনো সাধারণ জনগণের জন্য নিষেধাজ্ঞা বহাল রয়েছে। তবে যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের নেতৃত্বে দেশটি পর্যটন, বিনোদন ও আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্যে সামাজিক সংস্কারের গতি বাড়িয়েছে। নারীদের গাড়ি চালানোর অনুমতি, সিনেমা হল খোলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন– এসব পরিবর্তনের ধারায় এবার অ্যালকোহল নীতি আংশিক শিথিলতার দিকেই এগোচ্ছে দেশটি।
তবে কর্তৃপক্ষ এখনো বলছে, পর্যটকদের চাহিদা থাকা সত্ত্বেও অ্যালকোহল নীতি পুরোপুরি পরিবর্তনের কোনো ঘোষণা নেই। পর্যটনমন্ত্রী সম্প্রতি বলেন, "বর্তমানে কোনো পরিবর্তন হয়নি", যদিও তার বক্তব্যে ভবিষ্যতে সম্ভাবনার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।
২০২৩ সালের প্রতিবেদনে পর্যটন খাতে অ্যালকোহল বৈধকরণের গুজব ছড়ালেও সরকার তা তখন অস্বীকার করেছিল। তবুও সাম্প্রতিক উন্নয়নে অনেকের ধারণা– ২০৩৪ সালের বিশ্বকাপের আগে সৌদি আরব পর্যটকদের জন্য নির্দিষ্ট জোনে কিছুটা শিথিল নীতি গ্রহণ করতে পারে।

দীর্ঘদিনের কঠোর নিষেধাজ্ঞা ধীরে ধীরে শিথিল করছে সৌদি আরব। তারা তাদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক নীতির অংশ হিসেবে আরও দুটি নতুন অ্যালকোহল স্টোর চালুর পরিকল্পনা করছে। বিষয়টি এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা না হলেও পরিকল্পনার সঙ্গে যুক্ত একাধিক সূত্র বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
জানা গেছে, পূর্বাঞ্চলীয় ধাহরান শহরে অ্যালকোহল স্টোরটি স্থাপন করা হবে আরামকোর নিজস্ব একটি আবাসিক কমপ্লেক্সে। স্টোরটি শুধুমাত্র অমুসলিম বিদেশি কর্মীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে। আরেকটি স্টোর খোলা হবে বাণিজ্যিক শহর জেদ্দায়, যা কূটনীতিকদের জন্য নির্ধারিত হবে। উভয় স্টোরই ২০২৬ সালে চালু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যদিও চূড়ান্ত সময় এখনো নির্ধারিত হয়নি।
এর আগে ২০২৪ সালে রিয়াদে প্রথমবারের মতো অমুসলিম কূটনীতিকদের জন্য ‘বুজ ব্যাংকার’ নামে পরিচিত একটি বিশেষ অ্যালকোহল স্টোর চালু হয়, যা সৌদি আরবে ৭৩ বছরের নিষেধাজ্ঞার পর এক নজিরবিহীন পরিবর্তন ছিল। সম্প্রতি রিয়াদের এই স্টোরের গ্রাহক পরিধি বাড়িয়ে প্রিমিয়াম রেসিডেন্সি ভিসাধারী অমুসলিম বিদেশিদের অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
সৌদি আরবে দীর্ঘদিন ধরে অ্যালকোহল নিষিদ্ধ। এখনো সাধারণ জনগণের জন্য নিষেধাজ্ঞা বহাল রয়েছে। তবে যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের নেতৃত্বে দেশটি পর্যটন, বিনোদন ও আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্যে সামাজিক সংস্কারের গতি বাড়িয়েছে। নারীদের গাড়ি চালানোর অনুমতি, সিনেমা হল খোলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান আয়োজন– এসব পরিবর্তনের ধারায় এবার অ্যালকোহল নীতি আংশিক শিথিলতার দিকেই এগোচ্ছে দেশটি।
তবে কর্তৃপক্ষ এখনো বলছে, পর্যটকদের চাহিদা থাকা সত্ত্বেও অ্যালকোহল নীতি পুরোপুরি পরিবর্তনের কোনো ঘোষণা নেই। পর্যটনমন্ত্রী সম্প্রতি বলেন, "বর্তমানে কোনো পরিবর্তন হয়নি", যদিও তার বক্তব্যে ভবিষ্যতে সম্ভাবনার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।
২০২৩ সালের প্রতিবেদনে পর্যটন খাতে অ্যালকোহল বৈধকরণের গুজব ছড়ালেও সরকার তা তখন অস্বীকার করেছিল। তবুও সাম্প্রতিক উন্নয়নে অনেকের ধারণা– ২০৩৪ সালের বিশ্বকাপের আগে সৌদি আরব পর্যটকদের জন্য নির্দিষ্ট জোনে কিছুটা শিথিল নীতি গ্রহণ করতে পারে।

পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা (এফডব্লিউভি) পদের ৬ হাজার ৩৬১টির মধ্যে ৩ হাজার ১৬১টি পদ ও কমিউনিটি ক্লিনিকের সিএইচসিপি পদের ১৪ হাজার ৪৬০টির মধ্যে ৫৪০টি পদ শূন্য রয়েছে। এছাড়া স্বাস্থ্য সহকারী (এইচএ) পদের ২০ হাজার ৯০৯টির মধ্যে শূন্য রয়েছে ৬ হাজার ৯৫৩টি বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।