চরচা ডেস্ক

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে প্রতিবাদের মাধ্যমে দেশজুড়ে নজর কাড়ার পর এবার পুনেতে আন্দোলনের পরিকল্পনা করছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। আগামী ১১ জুন দলটি পুনেতে একটি শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের ঘোষণা দিয়েছে।
ভারতীয় গণমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে এক প্রতিবেদনে বলেছে, সাভিত্রিবাই ফুলে পুনে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ১১ জুন বিকেল ৪টার দিকে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
ভারতের প্রতিযোগিতামূলক নিট পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস এবং সিবিএসই পরীক্ষার প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতেই এই প্রতিবাদ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে সিজেপি।
চলমান রাজনৈতিক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে একটি ব্যাঙ্গাত্মক বা স্যাটায়ারধর্মী প্রতিবাদী আন্দোলন হিসেবে জন্ম নেওয়া এই দলটি মাত্র দুদিন আগেই হুঁশিয়ারি দিয়েছিল যে ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ না করলে তারা এই আন্দোলন দেশব্যাপী ছড়িয়ে দেবে।
গত ৬ জুন দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়, “আমরা সরকারকে সাত দিনের সময় দিচ্ছি। হয় ধর্মেন্দ্র প্রধান সম্মানজনকভাবে পদত্যাগ করুন, না হলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তাকে বরখাস্ত করুক। যদি সাত দিনের মধ্যে তার পদত্যাগের ঘোষণা না আসে, তবে এই আন্দোলন পুরো দেশে ছড়িয়ে পড়বে।”
ওইদিন সকালেই দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে বিকেল ৫টার মধ্যে ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করেছিলেন। পরে মন্ত্রী বা সরকারের পদক্ষেপের জন্য এই সাত দিনের সময়সীমা ঘোষণা করেন আন্দোলনকারীরা।
এর আগে গত শনিবার, পরীক্ষা ও নিয়োগ প্রক্রিয়ার অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে এবং ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে সিজেপির প্রথম বড় মাঠপর্যায়ের সমাবেশ হয়। সেখানে বহু শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও তরুণ পেশাজীবী অংশ নিয়েছিলেন। এর মাধ্যমে একটি ব্যাঙ্গাত্মক অনলাইন আন্দোলন রাজপথের আন্দোলনে রূপ নেয়।

ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির যন্তর মন্তরে প্রতিবাদের মাধ্যমে দেশজুড়ে নজর কাড়ার পর এবার পুনেতে আন্দোলনের পরিকল্পনা করছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। আগামী ১১ জুন দলটি পুনেতে একটি শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের ঘোষণা দিয়েছে।
ভারতীয় গণমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে এক প্রতিবেদনে বলেছে, সাভিত্রিবাই ফুলে পুনে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ১১ জুন বিকেল ৪টার দিকে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
ভারতের প্রতিযোগিতামূলক নিট পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস এবং সিবিএসই পরীক্ষার প্রক্রিয়ায় অনিয়মের অভিযোগে শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতেই এই প্রতিবাদ কর্মসূচির ডাক দিয়েছে সিজেপি।
চলমান রাজনৈতিক ব্যবস্থার বিরুদ্ধে একটি ব্যাঙ্গাত্মক বা স্যাটায়ারধর্মী প্রতিবাদী আন্দোলন হিসেবে জন্ম নেওয়া এই দলটি মাত্র দুদিন আগেই হুঁশিয়ারি দিয়েছিল যে ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ না করলে তারা এই আন্দোলন দেশব্যাপী ছড়িয়ে দেবে।
গত ৬ জুন দলটির পক্ষ থেকে বলা হয়, “আমরা সরকারকে সাত দিনের সময় দিচ্ছি। হয় ধর্মেন্দ্র প্রধান সম্মানজনকভাবে পদত্যাগ করুন, না হলে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তাকে বরখাস্ত করুক। যদি সাত দিনের মধ্যে তার পদত্যাগের ঘোষণা না আসে, তবে এই আন্দোলন পুরো দেশে ছড়িয়ে পড়বে।”
ওইদিন সকালেই দলের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে বিকেল ৫টার মধ্যে ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করেছিলেন। পরে মন্ত্রী বা সরকারের পদক্ষেপের জন্য এই সাত দিনের সময়সীমা ঘোষণা করেন আন্দোলনকারীরা।
এর আগে গত শনিবার, পরীক্ষা ও নিয়োগ প্রক্রিয়ার অনিয়মের অভিযোগ নিয়ে এবং ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে সিজেপির প্রথম বড় মাঠপর্যায়ের সমাবেশ হয়। সেখানে বহু শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও তরুণ পেশাজীবী অংশ নিয়েছিলেন। এর মাধ্যমে একটি ব্যাঙ্গাত্মক অনলাইন আন্দোলন রাজপথের আন্দোলনে রূপ নেয়।